এতে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে চার গুণ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে একই সময়ে যা ছিল ২১ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৮৬ পয়সায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ১৫ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ২৮ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দাবি পরিশোধের সক্ষমতা (সিপিএ) রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আরগুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)।
২০২৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকদার ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি। এর ৫০ দশমিক ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৬৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৫ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।